শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২

পুলিশকে জনবান্ধব ও মানবিক করতে সংস্কারের বিকল্প নেই

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ১৯৭০, ০৬:০০ এএম
পুলিশকে জনবান্ধব ও মানবিক করতে সংস্কারের বিকল্প নেই

বাংলাদেশ পুলিশকে সত্যিকার অর্থে জনবান্ধব ও মানবিক পুলিশ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সংস্কারের বিকল্প নেই। বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি আয়োজিত ‘বাংলাদেশ পুলিশ সংস্কার: প্রেক্ষিত নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তাদের আলোচনায় এমন অভিমত উঠে এসেছে। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি ড. এম. আকবর আলীর সভাপতিত্বে প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে গোলটেবিল বৈঠকটির আয়োজন করা হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি ড. মো. মতিয়ার রহমান। তিনি বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীর বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ হলো, ঔপনিবেশিক আইন ও কাঠামো, মানবসম্পদ ও প্রযুক্তিগত ঘাটতি, দুর্নীতি ও জবাবদিহির অভাব এবং কর্মচাপ ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। এজন্য প্রয়োজন আধুনিক ও গণমুখী আইন প্রণয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, পেশাগত প্রশিক্ষণ ও মনোভাব পরিবর্তন, পুলিশকে অযাচিত রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা, কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থার বাস্তবায়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার ও দক্ষতা বৃদ্ধি, সুশৃঙ্খল ও মানবিক বাহিনী এবং পুলিশের সেবামুখিতা অর্জন। পুলিশ বাহিনীর কাজের ওপর নিরপেক্ষভাবে নজরদারি নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন এখন সময়ের দাবি। এ কমিশনে সাবেক ও বর্তমান বিচারপতি, সরকারি কর্মকর্তা, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক ও নারীসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি থাকবেন।’

গোলটেবিল বৈঠকে মুখ্য আলোচক ছিলেন আমার দেশ সম্পাদক ও প্রকাশক ড. মাহমুদুর রহমান। বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সহসভাপতি মো. আব্দুর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাবেক আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা। মুখ্য আলোচক ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, পুলিশ সংস্কার করতে হলে পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে হবে, পুলিশ সদস্যদের বেঁচে থাকার মত সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে, পুলিশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে, পুলিশের প্রশিক্ষণ আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে হবে, র‍্যাব থেকে সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করতে হবে। এ ছাড়া তিনি এসব সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এবং পুলিশের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের জন্য আলাদা কমিটি গঠনের সুপারিশ করেন।

পুলিশের পদোন্নতি, পোস্টিংয়ের জন্য আলাদা আইন থাকা প্রয়োজন উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. বোরহান উদ্দিন বলেন, কোনো সরকারই পুলিশ কমিশন করতে চাইবে না। তিনি বলেন, পুলিশকে মিলিটারি ইকুপমেন্ট ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, পুলিশের নিয়োগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। পুলিশ সদস্যদের সম্মানজনক বেতন-ভাতাদি দিতে হবে।

বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, শেখ হাসিনা পুলিশকে গণশত্রুতে পরিণত করেছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম বলেন, ঔপনিবেশিক আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে পুলিশ সংস্কার করতে হবে। শুধু পুলিশ সংস্কার করলেই হবে না, প্রশাসনও সংস্কার করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ড. এম. আকবর আলী বলেন, ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনে নিয়ন্ত্রণের কথা বলা আছে। পুলিশের জনসম্পৃক্ততার কথা নেই। পুলিশকে একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের আওতায় আনতে হবে। পুলিশের মনোবল বৃদ্ধির জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিস বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ড. আহমেদ আবদুল কাদের, পুলিশ সংস্কার কমিশনের সদস্য জারিফ রহমান, সাবেক বিচারপতি ফরিদ আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তারিকুল।

মন্তব্য করুন

রিপাবলিক পার্টি / আসিফ নজরুল উপদেষ্টা পরিষদে গিয়ে মৃত হয়ে গেছেন
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল উপদেষ্টা পরিষদে গিয়ে মৃত হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টির (বিআরপি) সভাপতি মেজর (অব.) মেহেদী হাসান। গতকাল বিকেলে জুলাই গণহত্যার বিচারকার্য স্থবিরতার প্রতিবাদে শাহবাগে আয়োজিত প্রতীকী কফিন মিছিল ও সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন বিআরপির নেতাকর্মীরা। দ্রুত জুলাই সনদ ঘোষণা ও জুলাই গণহত্যাকারীদের বিচার দাবি করে দলটি। বিআরপির সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর হয়ে গেছে; কিন্তু এখন পর্যন্ত এর কোনো দৃশ্যমান বিচার হয়নি। আমার ভাইয়েরা কবরে শুয়ে আছে, অথচ খুনিরা এখনো বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দলটির সাধারণ সম্পাদক মেজর (অব.) রাজিবুল হাসান বলেন, যে শহীদদের রক্তের ওপর এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে, তারা সে শহীদদের রক্তের কোনো দাম দিচ্ছেন না। খুনিদের বিচার নিশ্চিতে তাদের কোনো কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে না। আমরা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, দলটির সিনিয়র সহসভাপতি সাঈদ আলী সিকদার, সহসভাপতি ক্যাপ্টেন (অব.) শফিকুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ইমরান, অ্যাডভোকেট নাসিম উদ্দিন মোহাম্মদ বায়েজিদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন ইউনূস।
আসিফ নজরুল উপদেষ্টা পরিষদে গিয়ে মৃত হয়ে গেছেন
আবুধাবিতে সাড়ে ৮৩ কোটি টাকার লটারি জিতলেন প্রবাসী বাংলাদেশি
আবুধাবিতে এক প্রবাসী বাংলাদেশি আড়াই কোটি দিরহামের একটি লটারি জিতেছেন। বিজয়ী মোহাম্মদ নাসের আবুধাবির শিল্পনগরী মুসাফফাহর ১৩নং ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে একটি বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস শপে ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করেন। তিনি ও তার ১০ বন্ধু মিলে জুন মাসের বিগ টিকিট কিনেছিলেন। গত বৃহস্পতিবার আবুধাবি ডিউটি ফ্রির লাইভ র‍্যাফেল ড্রটি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যাফেল ড্রয়ে জ্যাকপট বিজয়ী নির্বাচিত হয় মোহাম্মদ নাসেরের টিকিট। এই পুরস্কারের আর্থিক মূল্য ২৫ মিলিয়ন দিরহাম বা সাড়ে ৮৩ কোটি টাকা। আবুধাবির জনপ্রিয় এ র‌্যাফেল ড্রতে আগের মাসে বিগ টিকিটে আরব আমিরাতের নাগরিক মুবারক ঘারিব রাশেদ সালেম আল দাহেরি ২০ মিলিয়ন বা ২ কোটি দিরহামের জ্যাকপট জিতেছিলেন। এবারের ২৭৬তম ই-ড্রয়ে আরেক বাংলাদেশি প্রবাসী মোহাম্মদ চৌধুরী দেড় লাখ দিরহাম জিতেছেন। বিগ টিকিট বিজয়ী মোহাম্মদ নাসের ১২ বছর ধরে তার বন্ধুদের সঙ্গে টিকিট কিনে আসছেন। বিগ টিকিটের ১০ বন্ধুর মধ্যে আরেকজন হলেন মোহাম্মদ সরোয়ার। তার গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়ির পূর্ব সুয়াবিল।
আবুধাবিতে সাড়ে ৮৩ কোটি টাকার লটারি জিতলেন প্রবাসী বাংলাদেশি
‘থ্রি-জিরো’ অর্জনে মুসলিম বিশ্বের প্রতি পরিবেশ উপদেষ্টার আহ্বান
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রবর্তিত ‘থ্রি-জিরো’ অর্জনে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ—এই তিনটি শূন্য অর্জনে প্রয়োজন আন্তরিকভাবে সামাজিক দায়িত্ববোধের চর্চা। দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও পরিবেশ বিপর্যয়ের মোকাবিলায় প্রকৃত সামাজিক ব্যবসার মডেল গ্রহণ করতে হবে। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর গুলশানের হোটেল বেঙ্গল ব্লুবেরিতে অনুষ্ঠিত ‘আন্তর্জাতিক সামাজিক ব্যবসা সম্মেলন (আইএসবিএস) ২০২৫: মুসলিম বিশ্বের তিনটি শূন্য অর্জনে এনজিও নেতৃত্ব’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আমরা মূল্যবোধের কথা বলছি, কিন্তু প্রয়োগ করছি না—এটাই সমস্যা। প্রকৃত পরিবর্তন তখনই আসে, যখন নৈতিক আদর্শকে কাজে লাগানো হয়।’ উপদেষ্টা বলেন, ‘আধুনিক পুঁজিবাদ প্রকৃতি ও সমাজের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। এখনই যদি আমরা আমাদের অর্থনৈতিক মডেল পরিবর্তন না করি, তাহলে এই শতকের শেষ নাগাদ অনেক দেশ পানির নিচে তলিয়ে যাবে এবং অনেক সভ্যতা হারিয়ে যাবে।’ তিনি ভোগ ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘প্রয়োজন আর অতিরিক্ত চাহিদার মধ্যে পার্থক্য করতে শিখতে হবে। আমাদের যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে—চিরতরে।’ ইসলামের মূল্যবোধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ইসলাম কেবল প্রচার নয়, কার্যকর উদ্যোগের নির্দেশ দেয়। এটি বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা বলে এবং মুনাফার নামে দুঃখ সৃষ্টি না করে উপার্জন করে তা অন্যের কল্যাণে ব্যয় করার শিক্ষা দেয়।’ তিনি আফসোস করে বলেন, ‘মানবিক সংকটে মুসলিম বিশ্ব একক কণ্ঠে কথা বলে না। নিরীহ ফিলিস্তিনিদের হত্যা করা হলে কেন মুসলিম রাষ্ট্রগুলো নীরব থাকে? নৈতিক সাহস ছাড়া ভ্রাতৃত্ববোধের কোনো অর্থ নেই।’ উপদেষ্টা রিজওয়ানা মানবিক ঐক্যের ডাক দিয়ে বলেন, ‘ঘৃণা নয়, বৈচিত্র্যকে গ্রহণ করাই মানবতার পথ। আমাদের উচিত সহমর্মিতা থেকে কথা বলা এবং সব সম্প্রদায়কে মূল্যায়ন করা। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ড. হালিস ইউনুস এরসোজ, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী, তুরস্কের ইউএনআইডব্লিউয়ের মহাসচিব ও ফুজুল সেভিংস ফাইন্যান্স ইনকের চেয়ারম্যান ইউপ আকমাল, ইউএনআইডব্লিউয়ের হাই অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য ও সওয়ারের চেয়ারম্যান এস এম রাশেদুজ্জামান, আইআইআইটি বাংলাদেশের প্রতিনিধি ও বিআইআইটির মহাপরিচালক ড. এম আবদুল আজিজ এবং ইউএনআইডব্লিউয়ের কাউন্সিল সদস্য ও কৃষিবিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আলী আফজাল।
‘থ্রি-জিরো’ অর্জনে মুসলিম বিশ্বের প্রতি পরিবেশ উপদেষ্টার আহ্বান
শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে কমিটি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চার সদস্যের তদন্ত কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে আল-ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিনকে। অন্য সদস্যরা হলেন লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. ফকরুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. খোন্দকার আরিফা আক্তার, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাকসুদা আক্তার। কমিটিকে আগামী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে কমিটি
ঢাকার ৫৬ আসনের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল খেলাফত মজলিস
ঢাকার ৫৬ আসনের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল খেলাফত মজলিস
ক্রীড়াঙ্গনকেও কলুষিত করেছে শেখ হাসিনা
মেজর হাফিজ / ক্রীড়াঙ্গনকেও কলুষিত করেছে শেখ হাসিনা
স্বৈরাচারী ব্যবস্থা এখনো বহাল আছে
বদিউল আলম মজুমদার / স্বৈরাচারী ব্যবস্থা এখনো বহাল আছে
ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন
ডা. রফিক / ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন